গ্রিন হেভেন সুপার হোস্টেলের ভেরিফাইড মেম্বারদের কিছু বাস্তব মতামত।
গ্রিন হেভেন সুপার হোস্টেল নিয়ে আমাদের একজন অভিভাবকের সরাসরি অভিজ্ঞতা ও মতামত।
"মিরপুর ১৪ ব্রাঞ্চে আমি গত ১ বছর ধরে আছি। সেনাবাহিনীর অবসরপ্রাপ্ত স্যারদের কড়া নজরদারির কারণে পড়াশোনার পরিবেশ এখানে চমৎকার। খাবারের মান বাজারের অন্যান্য হোস্টেলের চেয়ে অনেক উন্নত ও স্বাস্থ্যসম্মত।"
"মেয়ের নিরাপত্তার কথা চিন্তা করে গ্রিন হেভেন গার্লস হোস্টেলে সিট বুকিং দিয়েছিলাম। সিসিটিভি ক্যামেরা ও সার্বক্ষণিক ফিমেল স্টাফদের দায়িত্বশীলতা আমার সকল দুশ্চিন্তা দূর করে দিয়েছে। ওয়াকিং ডিসট্যান্স সত্যিই অনেক বড় প্লাস পয়েন্ট।"
"হাই স্পিড ওয়াইফাই এবং ২৪ ঘণ্টা জেনারেটর ব্যাকআপের কারণে আমাদের অনলাইন ক্লাস বা অ্যাসাইনমেন্ট করতে কোনো সমস্যা হয় না। ওয়াশিং মেশিন ও মাইক্রোওয়েভ ওভেনের সুবিধা আমাদের লাইফ অনেক সহজ করে দিয়েছে।"
"এখানকার ডিসিপ্লিন আর নির্দিষ্ট স্টাডি আওয়ার আমার রেজাল্ট অনেক ভালো করতে সাহায্য করেছে। স্যাররা প্রতিদিন পড়ার খোঁজখবর নেন, ফলে বাসার বাইরে থেকেও পড়াশোনায় মনোযোগ ধরে রাখা সহজ হয়েছে।"
"ছেলেকে হোস্টেলে রেখে প্রথমে দুশ্চিন্তায় ছিলাম। কিন্তু কর্তৃপক্ষ নিয়মিত অভিভাবক মিটিং করে এবং আপডেট দেয়। এমন দায়িত্বশীল ম্যানেজমেন্ট আজকাল সত্যিই বিরল।"
"খাবারের মান নিয়ে আমি সত্যিই সন্তুষ্ট। প্রতিদিন আলাদা মেনু, পরিষ্কার রান্নাঘর আর পরিমাণেও যথেষ্ট। হোস্টেলের খাবার যে বাসার মতো হতে পারে, গ্রিন হেভেনে না এলে বিশ্বাসই হতো না।"
"নিয়মিত রুম পরিষ্কার করা হয় এবং ওয়াশিং মেশিনের সুবিধা থাকায় কাপড় ধোয়া নিয়ে ঝামেলা পোহাতে হয় না। টয়লেট ও কমন এরিয়া সবসময় পরিচ্ছন্ন থাকে।"
"কলেজ থেকে হেঁটে আসা যায়, তাই যাতায়াত নিয়ে কোনো টেনশন নেই। সময়ও বাঁচে আর নিরাপত্তার দিক থেকেও দারুণ। ব্রাঞ্চগুলোর লোকেশন সত্যিই অসাধারণ।"
"সেনাবাহিনীর অবসরপ্রাপ্ত ম্যানেজার স্যারদের ব্যবহার আন্তরিক অথচ নিয়মানুবর্তী। তারা প্রতিটি ছাত্রকে নিজের সন্তানের মতো দেখাশোনা করেন। অভিভাবক হিসেবে এর চেয়ে বেশি আর কী চাইতে পারি!"
"নিরাপত্তা, পড়ার পরিবেশ আর খাবার — সব দিক থেকেই গ্রিন হেভেন সেরা। সিসিটিভি আর ফিমেল স্টাফ থাকায় নিজেকে সম্পূর্ণ নিরাপদ মনে হয়। বন্ধুদের সবাইকে এখানে থাকার পরামর্শ দিই।"